বাংলাদেশ একটি স্বল্প উন্নত দেশ সম্প্রতি জাতিসংঘের এক অনানুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুযায়ী মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হয়েছে। যা ২০২৪ সালে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে এবং এ বিষয়ে জাতিসংঘ একটি পরিপত্র প্রকাশ করবে। বর্তমানে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা বিশ্বব্যাংক থেকে স্বল্প সুদহার ১% যাকে আন্তর্জাতিক ভাষায় সফট লোন বলে তা মধ্যম আয়ের দেশ ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথে বন্ধ হয়ে যাবে তখন বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশের লোন নিতে যে সুদহার আছে তা পরিশোধ করতে হবে।
বর্তমানে যে সাতটি দেশ উদীয়মান অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে আছে সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থান করছে।বর্তমানে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ (বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র অনুযায়ী) ৪০ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ডলার। যা দিয়ে প্রায় নয় অথবা দশ মাসের বৈদেশিক বাণিজ্য লেনদেন সম্ভব যা অত্যন্ত ইতিবাচক একটা উন্নয়নশীন দেশের পক্ষে।
বাংলাদেশ মূলত কৃষি নির্ভর হলেও এর বৈদেশিক রেমিট্যান্স এর সিংহভাগ আসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আয় থেকে। এজন্য বাংলাদেশের অর্থনীতি বা অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।